গাক চক্ষু হাসপাতাল এর আয়োজনে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এঁর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে ২ হাজার অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান

GUK Eye Hospital Free Eye Care Services

গাক চক্ষু হাসপাতাল এর আয়োজনে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের শুভ জন্মদিন উপলক্ষে ২৪ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, বেলা ১১টায় বগুড়ার মোকামতলা এলাকার সৈয়দপুর হাইস্কুল প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। গাক চক্ষু হাসপাতাল, বনানী, বগুড়ার আয়োজনে এবং মীর শাহে আলম ফাউন্ডেশন, বেতগাড়ী, শিবগঞ্জ, বগুড়ার সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জননেতা মীর শাহে আলম এমপি, প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

কর্মসূচিতে গাক’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড রিভিউ) হজকিল আবু হাসান, সহকারী পরিচালক মোঃ জিয়া উদ্দিন সরদার, গাক চক্ষু হাসপাতালের ম্যানেজার, চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

ক্যাম্পে আগত ২ হাজার অসহায় রোগীর বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসা পরামর্শ, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ছানি রোগী শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে, শনাক্তকৃত সকল ছানী রোগীদের গাক-এর নিজস্ব পরিবহনে গাক চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জননেতা মীর শাহে আলম এমপি বলেন, “মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া একটি মহৎ উদ্যোগ। বিশেষ করে দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ওষুধ, চশমা এবং ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম মানুষের দৃষ্টিশক্তি রক্ষার পাশাপাশি তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সমাজের মানুষের কল্যাণে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।”

গাক-এর প্রতিনিধিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) দীর্ঘদিন ধরে প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে যেন কোনো মানুষ চক্ষু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, ওষুধ ও চশমা বিতরণ এবং ছানি রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

গাক চক্ষু হাসপাতালের এ উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা, অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে গাক-এর অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হলো।